GHEE-ঘি

Price range: ৳ 900 through ৳ 1,750

09647-000060 Whatsapp
SKU: N/A Category:

উপকারিতা/ভালো দিক:

পুষ্টিগুণ:

1. উচ্চ ধূমায়ন বিন্দু – প্রায় ২৫০°C তাপমাত্রায় পুড়ে, তাই ভাজা-পোড়া বা উচ্চতাপ রান্নার জন্য নিরাপদ।
2. মধ্যম-শৃঙ্খল ফ্যাটি অ্যাসিড – সহজে হজম হয় এবং তাৎক্ষণিক শক্তি দেয়।
3. বিউটিরিক অ্যাসিড – অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, প্রদাহরোধী।
4. ভিটামিন সমৃদ্ধ – ভিটামিন A, D, E, K এর ভালো উৎস (দ্রবীভূত ফ্যাটে দ্রবণীয়)।
5. ল্যাকটোজ ও ক্যাসিন মুক্ত – দুধের অংশ অপসারণ করা হয়, তাই যাদের দুধে অ্যালার্জি তাদের জন্য সহনশীল।

স্বাস্থ্য উপকারিতা:

1. হজমে সাহায্য – আয়ুর্বেদে ঘিকে হজম enhancer হিসেবে গণ্য করা হয়।
2. প্রদাহরোধী – বিউটিরিক অ্যাসিড অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
3. ইমিউনিটি বাড়ায় – অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সমৃদ্ধ।
4. হার্টের স্বাস্থ্য – পরিমিত পরিমাণে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে পারে।
5. ত্বক ও চুল – আয়ুর্বেদে ত্বক মাখানো ও খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের উল্লেখ আছে।
6. কোষের স্বাস্থ্য – ফ্যাটি অ্যাসিড কোষ প্রাচীরের গঠনে সাহায্য করে।

কাদের সতর্ক হতে হবে:

1. হৃদরোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা স্থূলতা রোগীদের সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
2. ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা থাকলেও ঘি সাধারণত নিরাপদ, তবে গুণমান নিশ্চিত করুন।
3. প্রাণীজ চর্বি এড়াতে চাইলে – ঘি প্রাণীজ উৎস থেকে তৈরি (গরুর দুধ/মাখন)।

সুপারিশ ও ব্যবহারবিধি:

১. পরিমিত পরিমাণ – দিনে ১-২ চা চামচ (স্বাস্থ্যকর প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য) যথেষ্ট।
২. উচ্চতাপ রান্না – ঘি দিয়ে তরকারি, পরোটা, ভাজি, ব্রাউনিং করা যায়।
৩. সুষম খাদ্যের অংশ – ঘি একাই স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত নয়, অন্যান্য ভালো ফ্যাটের (অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো) সাথে পরিমিত মিশ্রণে ব্যবহার করুন।
৪. সঞ্চয় – ঘি রুম টেম্পারেচারে রাখা যায় (ফ্রিজে না রাখলেও চলে)।

ওজন

৫০০ গ্রাম, ১ কেজি

1 review for GHEE-ঘি

  1. মোস্তফা জামান আবিদ

    ঘি এর টেস্ট এবং ঘ্রাণ চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ চাষীর পণ্য।

Add a review

GHEE-ঘি
GHEE-ঘি
Price range: ৳ 900 through ৳ 1,750